৪৫ বছরে সবথেকে বেশি বেকারত্ব মোদীর আমলেই: রিপোর্ট

গত ৪৫ বছরে বেকারত্ব সর্বাধিক হয়েছিল ২০১৭-১৮ তে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নোট বাতিলের ঘোষণার পরই কর্মসংস্থানের হার তলানিতে এসে ঠেকেছিল। সরকারি সংস্থার সমীক্ষাতেই এই রিপোর্ট উঠে এসেছে।‘বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ‘ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভে আফিসে (NSSO’s)-এর পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভে (PLFS) তে এই তথ্য উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান ও প্রকল্প রূপায়ণ মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানেই এই সমীক্ষা হয়।

এর আগে ১৯৭৩ সালে সবচেয়ে বেশি বেকারত্ব দেখা দিয়েছিল। এরপর ২০১৭-১৮ তে ফের বেকারত্ব সেই পর্যায়ে নেমে যায়। শতাংশের বিচারে পরিমাণটা ছিল ৬.১ শতাংশ।এই রিপোর্টে বলা হয়েছে ২০১১-১২ সালে বেকারত্বের পরিমাণ ছিল ২.২ শতাংশ। গ্রামে বেকারত্বের পরিমাণ ৫.৩ শতাংশ আর শহরে ছিল ৭.৮ শতাংশ। এই সমীক্ষা বলছে গত কয়েক বছরে কাজ হারানো মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষত শহরাঞ্চলে বেকারত্ব বেড়েছে বেশি।

গ্রামাঞ্চলে শিক্ষিত মহিলাদের ক্ষেত্রে ২০০৪-০৫ থেকে ২০১১-১২ পর্যন্ত বেকারত্বের হার ছিল ৯.৭ শতাংশ থেকে ১৫.২ শতাংশের মধ্যে। যা ২০১৮-তে বেড়ে হয় ১৭.২ শতাংশ। পুরুষদের ক্ষেত্রে সেই হার ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয় ১০.৫ শতাংশ।
২০১৬ সালে নোটবন্দির পর এটাই এনএসএসও-র প্রথম রিপোর্ট। সম্প্রতি ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল কমিশনের চেয়ারম্যান পি সি মোহানান এবং আর এক সদস্য সংস্থার পদ ছেড়েছেন। এরপরই এই রিপোর্ট নিয়ে আরও বেশি করে বিতর্ক শুরু হয়। পি সি মোহানান জানিয়েছেন রিপোর্ট প্রকাশে দেরি হওয়া তাঁর পদ ছাড়ার অন্যতম কারণ। সোমবার পদত্যাগ করেছেন তাঁরা। তাঁরা জানিয়েছেন, বেশ কয়েকমাস ধরে সরকার তাঁদেরকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছিল না। সরকারের সঙ্গে সমঝোতা না হওয়াতেই পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা।স্বাভাবিকভাবেই এই রিপোর্টকে বিজেপি তথা মোদী সরকারের বিরুদ্ধে হাতিয়ার করেছে কংগ্রেস।
সূত্র- কলকাতা ২৪
Bangladeshi Taka Converter
No comments
If you have any doubt, please let me know that with your valuable comments.