সুপার-ঘূর্ণিঝড়-আম্পান!

  • ব্রেকিং নিউস

    চীনের যে তিনটি অস্ত্র রাশিয়া আর যুক্তরাষ্ট্রের চিন্তার কারণ হতে পারে

    বেইজিংয়ে সামরিক প্যারেড

    চীন, যুক্তরাষ্ট্র আর রাশিয়া, এই তিনটি দেশই বর্তমান বিশ্বে এক অস্ত্র প্রতিযোগিতার মধ্যে রয়েছে।
    অভ্যন্তরীণ সমস্যা আর সমুদ্র সীমা নিয়ে ভৌগলিক দ্বন্দ্বের কারণে নব্বুই দশকের শুরু থেকেই দেশটির সামরিক বাহিনী, পিপলস'স লিবারেশন আর্মিকে আধুনিক করে তৈরির করতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে চীন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট শী জিনপিংয়ের আমলে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর সঙ্গে তাদের সামরিক ক্ষমতার পার্থক্য দ্রুত কমে আসছে এবং দেশটি দ্রুত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশগুলোর একটি হয়ে উঠছে। এখানে চীনের সবচেয়ে আধুনিক কিছু অস্ত্রের বিবরণ তুলে ধরা হলো, যেগুলো বর্তমান অস্ত্র প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে বড় ধরণের ভূমিকা রাখতে চলেছে

    ১. নৌবাহিনীর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র

    ২০১৮ সালে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত কিছু ছবি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, চীন হয়তো এমন যুদ্ধজাহাজে স্থাপন করার উপযোগী এমন অস্ত্র তৈরি করেছে যেটি শব্দের পাঁচগুণ গতিতে (হাইপারসনিক স্পিড) গুলি ছুড়তে পারে। অনেকদিন ধরেই বিশ্বের অনেক দেশ এমন অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। 'রেলগান' নামের এই অস্ত্রটি সেকেন্ড আড়াই কিলোমিটার গতিতে গুলি ছুড়তে পারে, যেগুলো দুইশও কিলোমিটার দূরের লক্ষবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

    ২. হাইপারসনিক অস্ত্র

    সাউথ চায়না মনিং পোস্টের খবর অনুযায়ী, ২০১৮ সালের অগাস্টে চীন ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা এমন একটি হাইপারসনিক বিমান পরীক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে, যেটি বিশ্বের যেকোনো মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করতে সক্ষম।
    এটি এমন একটি 'ওয়েভ রাইডার' বিমান যেটি, যেটি নিজের তৈরি করা শব্দের ধাক্কা ব্যবহার করে বায়ুমণ্ডলে দ্রুত গতিতে ভেসে বেড়াতে পারে।
    পরীক্ষায় জিংকং-২ (আকাশের আতংক-২) নামের চীনের ওয়েভ রাইডার বিমানটি ৩২০ কিলোমিটার উঁচুতে উঠে ঘণ্টায় ৭.৩৪৪ কিলোমিটার গতিতে ভেসে বেড়ায়।
    তবে এই বিমানটি চীনের প্রথম হাইপারসনিক বিমান নয়-২০১৪ সাল থেকেই দেশটি বায়ুমণ্ডলে ভেসে থাকা বিমান পরীক্ষা করে যাচ্ছে-কিন্তু এই প্রথমবার তারা এমন একটি বিমান তৈরি করেছে যেটি ওয়েভ রাইডার প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

    ৩. চীনের ' সব বোমার মা'

    গত মাসে নতুন ধরণের একটি বিশাল বোমার প্রদর্শন করেছে চীন, যাকে বলা হচ্ছে চীনের 'সব বোমার মা'। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসিভ অর্ডিন্যান্স এয়ার ব্লাস্টের মতো যেটিকে বর্ণনা করা হচ্ছে। প্রচারণা ভিডিওতে চীনের অস্ত্র তৈরির প্রধান কোম্পানি নোরিনকো দেখিয়েছে, এইচ-সিকে বোমারু বিমান থেকে বোমাটি ফেলা হচ্ছে এবং বড় ধরণের বিস্ফোরণ ঘটছে
    বিস্তারিত আর কিছু জানানো হয়নি।
    রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা শিনহুয়া বলছে, ওই বোমাটি হচ্ছে চীনের পারমাণবিক অস্ত্রের বাইরে সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা এবং এটি এতো বড় যে, একটি এইচ-৬কে বোমারু বিমান একেকবারে মাত্র একটি বোমাই বহন করতে পারে।
    বেইজিংয়ের সামরিক বিশ্লেষক ওয়েই ডংজু গ্লোবাল টাইমসকে বলেছেন, তুলনা করা হলেও, চীনের বোমাটি আমেরিকান এ ধরণের বোমার তুলনায় খানিকটা ছোট।
    তিনি ধারণা করেন, চীনের বোমাটি প্রায় পাঁচ ছয় মিটার লম্বা- অথচ আমেরিকান বোমাটি প্রায় ১০ মিটার লম্বা এবং হালকা, যার ফলে সেটি বহন করা সহজ।
    ওয়েই বলছেন, ''এই বিশাল বোমার বিস্ফোরণে বিশাল ভবন, ঘাটি বা প্রতিরক্ষা কেন্দ্রগুলো একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে।''

    No comments

    If you have any doubt, please let me know that with your valuable comments.

    পৃষ্ঠা

    সর্বশেষ খবর

    COVID-19 থেকে বাঁচার উপায় !