ইরাক ও সিরিয়ায় শেষ ঘাঁটিগুলো ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে আইএস যোদ্ধা ও তাদের স্ত্রী-সন্তানরা

আগামী সপ্তাহের মধ্যেই সিরিয়া ও ইরাক থেকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের "শতভাগ" উচ্ছেদ করা হবে - মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমন ঘোষণার পর আইএস সদস্য এবং তাদের পরিবারগুলো এলাকা ছেড়ে পালাতে শুরু করেছে।মার্কিন-সমর্থিত মিলিশিয়ারা এখন আইএসের দখলে থাকা পূর্ব সিরিয়ার ক্ষুদ্র দুটি এলাকার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী বলছে, আইএস গোষ্ঠীর দখলে থাকা এলাকার পরিমাণ এখন মাত্র ২০ বর্গমাইলের মতো হবে।
এই এলাকাটি থেকে এখন নারী-পুরুষ ও শিশুদের পালানোর খবর আসছে, এবং তাদের অনেকে গুরুতর আহত অবস্থায় এবং অন্য অনেকে খাদ্যবিহীন অবস্থাতেই পালিয়ে যাচ্ছে।তারা মার্কিন সমর্থিত কুর্দিপ্রধান সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস বা এসডিএফ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করার জন্য বাঘুজ নামে একটি গ্রামে এসে পৌঁছাচ্ছে।
গত দু'সপ্তাহে মরুভূমি এলাকা থেকে যারা আত্মসমর্পণ করতে আসছে তারা প্রধানত আইএস জঙ্গীদের স্ত্রী ও সন্তানরা।তাদের পরিচয় যাচাই করে উত্তর সিরিয়ায় বন্দীশিবিরে পাঠিয়ে দিচ্ছে এসডিএফ। এদের মধ্যে ইউরোপীয় নারীও রয়েছে।এর মধ্যে দু'জন হলেন সাবিনা (বয়েস ৩৪) এবং লিওনোরা (বয়েস ১৯) । এরা হচ্ছেন জার্মান জিহাদি মার্টিন লেমকের তিন স্ত্রীর মধ্যে দু'জন।তারা জানালেন, তাদের জিহাদি স্বামী পালিয়ে গেছেন এবং এবং এসডিএফের হাতে ধরা পড়েছেন।
বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, সিরিয়া ও ইরাকে ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর দখলে থাকা এলাকাগুলো আগামি সপ্তাহের মধ্যেই '১০০ ভাগ' মুক্ত হয়ে যাবে।তিনি বলেন, ''আগামী সপ্তাহেই এ ঘোষণা আসা উচিত'' তবে তিনি সরকারি ভাষ্য আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চান।আইএসএর যারা আত্মসমর্পণ করার জন্য বাঘুজ আসছে - তাদের অনেকেই এগিয়ে আসতে থাকা বাহিনীগুলোর গোলাবর্ষণে আহত হয়েছে।পালাতে থাকা আইএস যোদ্ধাদের মধ্যে সিরিয়ান, ইরাকি এবং ইউরোপ ও অন্য নানা দেশ থেকে আসা বিদেশীরাও রয়েছে।
এদের কাউকে কাউকে বন্দী শিবিরে এবং অন্যদের কারাগারে নেয়া হয়েছে।পালাতে থাকা আইএস যোদ্ধাদের মধ্যে সিরিয়ান, ইরাকি এবং ইউরোপ ও অন্য নানা দেশ থেকে আসা বিদেশীরাও রয়েছে।এদের কাউকে কাউকে বন্দী শিবিরে এবং অন্যদের কারাগারে নেয়া হয়েছে।
সূত্র- বিবিসি
Bangladeshi Taka Converter
No comments
If you have any doubt, please let me know that with your valuable comments.