সুপার-ঘূর্ণিঝড়-আম্পান!

  • ব্রেকিং নিউস

    জন্মগত সিফিলিসে বছরে দুই লাখ নবজাতকের মৃত্যুঃবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন

    সিফিলিস

    সিফিলিস একটি অতি পরিচিত সাধারণ যৌনরোগ। অতীতে বিশ্বব্যাপী এ রোগের প্রকোপ থাকলেও বর্তমানে তা অনেকটাই কমে এসেছে। কিন্তু ব্যতিক্রম নবজাতকদের ক্ষেত্রে। এখনও বিশ্বে প্রতি বছর কমপক্ষে দুুই লাখ নবজাতকের মৃত্যুর কারণ জন্মগত সিফিলিস। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ তথ্য প্রকাশ করেছে। তবে বাংলাদেশে এ রোগের সংক্রমণ নেই।এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী আলী কাওসার যুগান্তরকে বলেন, আমাদের দেশে নবজাতকদের ক্ষেত্রে বা জন্মগত সিফিলিসে আক্রান্তের কোনো পরিসংখ্যান নেই। তাছাড়া এ ধরনের সংক্রমণ এ দেশে হয় না বললেই চলে। কারণ এ ধরনের সংক্রমণের ঘটনা ঘটলে পর্যাপ্ত সংখ্যক রোগী পাওয়া যেত।

    ২৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের ওয়েবসাইটে সহজাত সিফিলিস বিষয়ক একটি অনুমিতি প্রকাশ করে। এতে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে বিশ্বব্যাপী অর্ধ মিলিয়নেরও বেশি (প্রায় ছয় লাখ ৬১ হাজার) নতুন সিফিলিস আক্রান্ত রোগী নির্ণয় করা হয়েছে। যাদের মধ্যে কমপক্ষে দুই লাখ নবজাতক জন্মগতভাবে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। জন্মগত সিফিলিস বিশ্বব্যাপী সংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম। সংক্রামক রোগের মধ্যে ম্যালেরিয়ার পরেই এর স্থান। তবে রোগটি প্রতিরোধযোগ্য।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সিফিলিস সাধারণ যৌন সংক্রমণগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ছয় মিলিয়ন মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। যদি এ রোগে সংক্রামিত গর্ভবতী নারী প্রাথমিক এবং কার্যকরী চিকিৎসা না পায়, তাহলে তার মাধ্যমে তার অনাগত শিশুর এ রোগে সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এটি ‘জন্মগত সিফিলিস’ নামে পরিচিত, যা অত্যন্ত মারাত্মক। জন্মগত সিফিলিসে আক্রান্ত শিশু কম ওজনের হয়। এমনকি অপরিণত ও বিকলাঙ্গতা নিয়ে ভূমিষ্ঠ হতে পারে। জন্মগত সিফিলিস সহজে প্রতিরোধযোগ্য এবং চিকিৎসাযোগ্য। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রাথমিক পর্যায়ে যদি এটি নির্ণয় করা যায়।


    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এবং এইচআরপি’র সহ-লেখক পলস ওয়ান পরিচালিত ২০১২ থেকে ২০১৬ সালের গবেষণার দেখা গেছে, উল্লিখিত সময়ে সিফিলিসের সংক্রমণ হ্রাস পেয়েছে। অর্থাৎ এ সময়ে সংক্রমণের সংখ্যা সাত লাখ ৫০ হাজার থেকে ছয় লাখ ৬০ হাজারে নেমেছে।গবেষণায় আরও দেখা গেছে, গর্ভকালীন সময়ে গর্র্ভবতী নারীর স্ক্রিনিং, চিকিৎসা এবং নজরদারির মধ্যে উন্নতি পাওয়া সম্ভব। এই প্রক্রিয়ায় জন্মগত সিফিলিসে আক্রান্ত হওয়া নবজাতকের সংখ্যা তিন লাখ ৯৭ হাজার থেকে তিন লাখ ৫৫ হাজারে হ্রাস পেয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও জানায়, ২০১২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে সিফিলিস হ্রাস পাওয়ার পরও নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে সিফিলিস সংক্রমণের হার কম নয়। এ ক্ষেত্রে গর্ভধারণের সময় এবং প্রসবকালীন যত্নের অংশ হিসেবে সব নারীর প্রাথমিক পর্যায়ে সিফিলিস স্ক্রিনিং এবং চিকিৎসা দেয়া প্রয়োজন।

    No comments

    If you have any doubt, please let me know that with your valuable comments.

    পৃষ্ঠা

    সর্বশেষ খবর

    COVID-19 থেকে বাঁচার উপায় !