টার্কি খামার করে সফল কুদ্দুস আলম!

লাভজনক হওয়ায় রাজবাড়িতে দিনদিন বাড়ছে টার্কি মুরগি পালন। স্বল্প সময়ে অল্প খরচ বেশি লাভ হওয়ায় তরুণরা ঝুঁকছেন টার্কির খামার ব্যবসায়। টার্কি মুরগি পালনে সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়।রাজবাড়ির গোয়ালন্দ উপজেলার দেওয়ান পাড়া গ্রামে খামারি কুদ্দুস আলম। একসময় চিত্র শিল্পী হিসেবে ব্যানার লেখার কাজ করলেও হঠাৎ করেই বেকার হয়ে পড়েন তিনি। পড়ে ইন্টারনেট থেকে টার্কি মুরগি পালনের তথ্য পেয়ে ১ বছর আগে স্ত্রীর সাথে যৌথ উদ্যোগে শুরু করেন খামার। খুলনা থেকে নিয়ে আসেন টার্কির ৮০ টি বাচ্চা।৬ মাস পরই সেগুলো ডিম দেয়া শুরু করে। বর্তমানে খামারটিতে পাঁচ শতাধিক টার্কি রয়েছে। ছয় মাস বয়সী টার্কি বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকায়। খামার চালাতে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা খরচ হলেও ডিম আর মুরগি বিক্রি করে আয় হচ্ছে দেড় লাখ টাকা।
লাভজনক হওয়ায় বেকার তরুণরা ঝুঁকছেন টার্কি ফার্মের ব্যবসায়। টার্কি পালনের বিষয়ে খামারিদের পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করছে জেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর বলে জানান রাজবাড়ী জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মো. আবু বকর সিদ্দিক।জেলা প্রাণি সম্পদ কার্যালয়ের তথ্যমতে, বর্তমানে রাজবাড়ীতে ছোট বড় ৭০ টি টার্কি মুরগির খামার রয়েছে।
No comments
If you have any doubt, please let me know that with your valuable comments.