নুসরাত হত্যাকাণ্ডে সরাসরি পাঁচজন অংশ নেয়: পিবিআই

ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যায় চারজন নয় সরাসরি পাঁচজন অংশ নেয় বলে নিশ্চিত করেছে পিবিআই। প্রথমে চারজনের কথা বলে হলেও পরবর্তীতে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে আরো একজনের নাম। এর মধ্যে উম্মে সুলতানা পপিসহ গ্রেফতার হয়েছেন শামীম, জুবায়ের ও জাবেদ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপর এক ছাত্রীকে দ্রুতই গ্রেফতারের আশা সংস্থাটির।এদিকে, নির্ভুল চার্জশিট দিতে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন পিবিআই প্রধান।৬ এপ্রিল ২০১৯। ফেনীর সোনাগাজীতে লালসার আগুনে দগ্ধ মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত রাফি। হাসপাতালের বিছানায় পাঁচদিনের লড়াই শেষে ১০ এপ্রিল মৃত্যুর কাছে হার মানে সে।
প্রাথমিক অবস্থায় পুলিশের কাছে মামলার তদন্তভার থাকলেও পরবর্তীতে ৯ এপ্রিল তদন্তের দায়িত্ব পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন- পিবিআই। দায়িত্ব নেয়ার চার দিনের মাথায় সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় নুসরাতের গায়ে আগুন দেয়ায় জড়িত ছিল চারজন।পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামিদের তথ্য অনুযায়ী আরো এরকজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে সংস্থাটি। পিবিআই জানায়, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিল চারজন। এদের তিনজন পুরুষ ও দুইজন নারী। এদের মধ্যে শাহাদাত হোসেন শামীম, জুবায়ের ও উম্মে সুলতানা পপিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হলেও বাকি আছে অন্য এক নারী। এরমধ্যে ২ জন মেয়ে।'
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার, ‘প্রথম ৪ জনের কথা উঠে এলেও তদন্তে আরও একজনের কথা উঠে এসেছে। ছাদে ৫ জনই গিয়েছিল।’ পুলিশ জানায়, আগুন দেয়ার আগে মাদ্রাসার ছাদে অবস্থান নেয় চারজন। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থী উম্মে সুলতানা পপি নিজের পরিচয় গোপন রেখে রাফিকে নিচ থেকে ডেকে ছাদে নিয়ে যায়। আসলে তার নাম পপি। কিন্তু তাকে সম্মোধন করা হয়েছে শম্পা হিসেবে। যেহেতু রাফি ওকে চেনে।'
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার বলেন, ‘রাফিকে যে নিচে থেকে ডেকে নিছে সে মূলত তার নিজের নাম না বলে অন্য নাম বলেছে।’ এদিকে, সব দিক বিচার বিশ্লেষণ করে যতো দ্রুত সম্ভব মামলার পূর্ণাঙ্গ চার্জশিট দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পিবিআই প্রধান।এ মামলায় এখন পর্যন্ত প্রেফতার হয়েছেন ৯ জন। এদের মধ্যে চার্জশিটভুক্ত ৭ জন এবং অন্য দুইজন তদন্তের পরে।
Bangladeshi Taka Converter
No comments
If you have any doubt, please let me know that with your valuable comments.