'উ.কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে কোনো তাড়াহুড়ো নেই'
উত্তর কোরিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে কোনো তাড়াহুড়ো নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।এছাড়া, জাপানের সামরিক বাহিনী মার্কিন সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। আর জাপানি প্রধানমন্ত্রী জানান, উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে বৈঠক আয়োজনে সবধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
মঙ্গলবার জাপানের রাজা নারুহিতুর দেয়া ভোজসভায় স্বস্ত্রীক অংশ নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছিলেন জাপানি প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে এবং তার স্ত্রীও। এছাড়া, জাপানের রানি মাসাকোসহ রাজপরিবার ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে দীর্ঘ সময় দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা করেন ট্রাম্প-অ্যাবে। বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যের পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কার্যক্রম নিয়ে কথা বলেন তারা।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, উত্তর কোরিয়ার অপহরণের শিকার মার্কিনরা দেশে ফিরেছে। কোরীয় যুদ্ধে নিহত সেনাদের মরদেহ হস্তান্তর করছে পিয়ংইয়ং। সবচেয়ে বড় কথা, গেলো দু'বছর ধরে পরামাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা শুন্যের কোটায়। এ পর্যায়ে আমি খুবই সন্তুষ্ট। আশা করি বিচক্ষণরা আমাদের সঙ্গে একমত হবেন। দেশটির ওপর নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা আছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো তাড়াহুড়ো নেই।জাপানি প্রধানমন্ত্রী বলেন, উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে শর্তহীন খোলামেলা আলোচনা করতে চাই। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবধরেনর সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। পিয়ংইয়ংয়ের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা জাপানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তাদের আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক। এছাড়া, উত্তর কোরিয়ায় আটক, জাপানিদের ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার সবকিছু করতে প্রস্তুত আছে।
এদিন, জাপানের সর্ববৃহৎ যুদ্ধজাহাজ কাগা পরিদর্শন করেন ট্রাম্প। সাবমেরিন বিধ্বংসী হেলিকপ্টার বহনে সক্ষম জাপানের কাগা। শিগগিরই যুদ্ধজাহাজটির আরো আধুনিকায়নের ঘোষণা দিয়েছে জাপান। ফলে জাহাজেই এফ-থার্টিফাইভ-বি যুদ্ধবিমানের উড্ডয়ন ও অবতরণ নিশ্চিত করা যাবে।ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, নতুন উদ্ভাবিত অপ্রতিদ্বন্দ্বী যুদ্ধজাহাজ কাগা,আমাদের জাতীয় নিরাপত্তায় সহযোগিতা করবে। এশিয়াসহ বিশ্বের যে কোনো দেশের সব ধরনের হুমকি মোকাবিলায় জাপানের সামরিক শক্তি মার্কিন শক্তিতে সমৃদ্ধ করবে বলে আমার প্রত্যাশা।
রাষ্ট্রীয় সফরে গত শনিবার জাপানে পৌঁছান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চারদিনের সফর শেষে মঙ্গলবার টোকিও ত্যাগ করেন তিনি।
Bangladeshi Taka Converter
No comments
If you have any doubt, please let me know that with your valuable comments.