আজ মধ্যরাতে শুরু একাদশে ভর্তির আবেদন

আজ মধ্যরাতে শুরু হচ্ছে একাদশে ভর্তি কার্যক্রম। এসএমএস ও অনলাইনে কলেজ ও মাদ্রাসায় আবেদন করা যাবে। আগামীকাল শুরু হচ্ছে পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটসহ বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন প্রক্রিয়া। আবেদনে বাবা বা মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক যুগান্তরকে বলেন, ‘কাল (আজ) মধ্যরাত থেকে শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। আবেদন কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে রোববার।’
এবারই প্রথম ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কলেজের তিনটি ক্যাটাগরি করা হয়েছে। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ৮২ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৪৫টি কলেজ আছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ড. হারুন-অর-রশিদ জানান, এবার ছাত্রদের মেধাক্রমও থাকবে।আবেদন করতে গেলেই শিক্ষার্থীরা নিজের মেধাক্রম দেখতে পাবে। চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু তাও বুঝতে পারবে। এতে আবেদন জটিলতা ও সংকট থেকে রেহাই মিলবে।
এবারও তিন ধাপে নেয়া হবে আবেদন। প্রথম ধাপে আবেদন করা যাবে ২৩ মে পর্যন্ত। এই পর্যায়ে আবেদনকারীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ জুন। দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন করা যাবে ১৯ ও ২০ জুন। ২১ জুনই এদের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে। তৃতীয় ধাপে আবেদন নেয়া হবে ২৪ জুন। ফল প্রকাশ করা হবে ২৫ জুন। ২৭ থেকে ৩০ জুন শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত কলেজে ভর্তি হতে হবে। ১ জুলাই শুরু হবে ক্লাস।অনলাইনে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি আবেদন করা যাবে। এজন্য নেয়া হবে ১৫০ টাকা। মোবাইল ফোনে প্রতি এসএমএসে একটি করে কলেজে আবেদন করা যাবে। দিতে হবে ১২০ টাকা। কোনো শিক্ষার্থী ১০টির বেশি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবে না। কলেজ পছন্দের ঝক্কি দূর করতে এবার প্রথম ধাপের আবেদনের ফল প্রকাশ না করা পর্যন্ত আবেদন তালিকায় কলেজের পছন্দক্রম রদ-বদল করতে পারবে।
কলেজ পাওয়ার পর শিক্ষার্থীদের ভর্তি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এর জন্য গত বছর ১৮৫ টাকা নেয়া হতো। এবার ১৯৫ টাকা নেয়া হবে। বিলম্ব ফি ৫০ টাকার বদলে ১০০ টাকা ইয়ার লসের জন্য ১০০ টাকার বদলে ১৫০ টাকা ফি নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্য ফি গত বছরের মতোই। ভর্তিকালে কলেজ-মাদ্রাসাগুলো কত টাকা নেবে তা আগেভাগেই ঘোষণা করতে হবে। ঘোষণা ছাড়া অর্থ নিলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নীতিমালায় একাদশ শ্রেণীতে সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি মফস্বল, পৌর (উপজেলা) এলাকায় এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার টাকা, ঢাকা ছাড়া অন্যান্য সব মেট্রোপলিটন এলাকায় তিন হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকার বেশি আদায় করা যাবে না। মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিওবহির্ভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা হিসেবে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় ভর্তি ফি, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফিসহ বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৯ হাজার টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এবার ভর্তির সব আসনেই মেধার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে। তবে বিভিন্ন কোটার মধ্যে আছে- মুক্তিযোদ্ধা-রাজধানীতে ৫ শতাংশ, বিভাগীয় ও জেলা সদরে ৩ শতাংশ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধঃস্তন সব দফতরে ২ শতাংশ, বিকেএসপিতে ০.৫ এবং প্রবাসী ০.৫ শতাংশ করা হবে। যদি এসব কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে এ আসনে অন্য কাউকে ভর্তি করা যাবে না।
কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি : এদিকে দেশের সব পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, ইন্সটিটিউট অব গ্লাস অ্যান্ড সিরামিকস, গ্রাফিক্স আর্টস ইন্সটিটিউট, ফেনী কম্পিউটার ইন্সটিটিউট, বিভিন্ন সার্ভে ইন্সটিটিউট, ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউটে ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডিপ্লোমা ইন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম কাল শুরু হচ্ছে।
একটানা ৮ জুন পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ফল প্রকাশ ১৫ জুন। পরদিন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত মূল মেধাতালিকায় স্থানপ্রাপ্তরা ভর্তি হতে পারবে। ২৯ জুন থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত অপেক্ষমাণ তালিকার প্রার্থীরা ভর্তি হবে।
Bangladeshi Taka Converter
No comments
If you have any doubt, please let me know that with your valuable comments.