করোনায় আক্রান্ত হওয়া নিয়ে মারুফের লুকোচুরি

ঢাকাই ছবির নায়ক মারুফ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, গত দুইদিন এমন খবরই প্রকাশ হয়েছে গণমাধ্যমে। বর্তমানে এ নায়ক আমেরিকায় সস্ত্রীক অবস্থান করছেন। সেখানেই তিনি এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে তার এক ঘনিষ্ঠজন ফেসবুকে পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে মারুফের বাবা চিত্রপরিচালক কাজী হায়াতও গণমাধ্যমকে বলেছেন, তার ছেলে করোনায় আক্রান্ত। তিনি বলেন, ‘২৭ মার্চ তাদের পরীক্ষা করা হয়। আর এতে করোনা পজিটিভ এসেছে। এখন তারা নিউইয়র্কের বাসায় আইসোলেশনে আছে। তবে তাদের দুটি সন্তান সুস্থ আছে। বাচ্চা দুটিকে আলাদা রাখা হয়েছে। আগামী ১ এপ্রিল তাদের দেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু আপাতত তা হচ্ছে না।’ গতকাল আবার বিষয়টি অস্বীকার করেন কাজী মারুফ। তিনি বলেছেন, করোনায় তিনি আক্রান্ত হননি। তার শারীরিক অসুস্থতার খবরে সবাই ধরে নিয়েছেন তিনি করোনায় আক্রান্ত। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা ভালো আছি। বাবা জ্বরের সংবাদ শুনে উদ্বিগ্ন হয়ে এসব বলেছেন। আমাদের তেমন কিছু হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রে এ মুহূর্তে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যেই জ্বর। এই কারণে এমনটা ছড়িয়েছে হয়তো।’ এরই মধ্যে তার জ্বর সেরে গেছে বলেও জানিয়েছেন এ নায়ক। স্ত্রীও সুস্থতার পথে। তবে একই সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি অনেকেই বিশ্বাস করেননি। যেহেতু তারা নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন এবং সেখানে করোনায় আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি, তাই তাদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। কেউ কেউ বলেছেন, নিশ্চয়ই কাজী হায়াত তার ছেলেকে নিয়ে মিথ্যে কথা বলেননি। হয়তো মারুফ সামাজিকতার ভয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করছেন। যদি সেটা করে থাকেন তাহলে অবশ্যই ভুল করছেন। বরং তিনি যদি সঠিক তথ্যটা দিয়ে সবাইকে সচেতন করেন এবং কীভাবে এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায় সেটা শেয়ার করেন নিশ্চয়ই তা অন্যদের জন্য অনুকরণীয় হবেঢাকাই ছবির নায়ক মারুফ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, গত দুইদিন এমন খবরই প্রকাশ হয়েছে গণমাধ্যমে। বর্তমানে এ নায়ক আমেরিকায় সস্ত্রীক অবস্থান করছেন। সেখানেই তিনি এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে তার এক ঘনিষ্ঠজন ফেসবুকে পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে মারুফের বাবা চিত্রপরিচালক কাজী হায়াতও গণমাধ্যমকে বলেছেন, তার ছেলে করোনায় আক্রান্ত। তিনি বলেন, ‘২৭ মার্চ তাদের পরীক্ষা করা হয়। আর এতে করোনা পজিটিভ এসেছে। এখন তারা নিউইয়র্কের বাসায় আইসোলেশনে আছে। তবে তাদের দুটি সন্তান সুস্থ আছে। বাচ্চা দুটিকে আলাদা রাখা হয়েছে। আগামী ১ এপ্রিল তাদের দেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু আপাতত তা হচ্ছে না।’ গতকাল আবার বিষয়টি অস্বীকার করেন কাজী মারুফ। তিনি বলেছেন, করোনায় তিনি আক্রান্ত হননি। তার শারীরিক অসুস্থতার খবরে সবাই ধরে নিয়েছেন তিনি করোনায় আক্রান্ত। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা ভালো আছি। বাবা জ্বরের সংবাদ শুনে উদ্বিগ্ন হয়ে এসব বলেছেন। আমাদের তেমন কিছু হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রে এ মুহূর্তে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যেই জ্বর। এই কারণে এমনটা ছড়িয়েছে হয়তো।’ এরই মধ্যে তার জ্বর সেরে গেছে বলেও জানিয়েছেন এ নায়ক। স্ত্রীও সুস্থতার পথে। তবে একই সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি অনেকেই বিশ্বাস করেননি। যেহেতু তারা নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন এবং সেখানে করোনায় আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি, তাই তাদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। কেউ কেউ বলেছেন, নিশ্চয়ই কাজী হায়াত তার ছেলেকে নিয়ে মিথ্যে কথা বলেননি। হয়তো মারুফ সামাজিকতার ভয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করছেন। যদি সেটা করে থাকেন তাহলে অবশ্যই ভুল করছেন। বরং তিনি যদি সঠিক তথ্যটা দিয়ে সবাইকে সচেতন করেন এবং কীভাবে এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায় সেটা শেয়ার করেন নিশ্চয়ই তা অন্যদের জন্য অনুকরণীয় হবে
Bangladeshi Taka Converter
No comments
If you have any doubt, please let me know that with your valuable comments.