নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাতিরঝিল থেকে সরছে না বিজিএমইএ ভবন
এবারও বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে হাতিরঝিল থেকে সরছে না বিজিএমইএ ভবন। তাই সময়সীমা বাড়াতে আবার আদালতের শরণাপন্ন হবে সংগঠনটি। তবে, মুচলেকা দেয়ার পরও সময় মতো ভবন না সরানো আদালত অবমাননার সামিল হবে বলে মনে করেন এই মামলার অ্যামিকাস কিউরি। বেশ আগেই ১৬ তলা এই ভবনটিকে হাতিরঝিলের ক্যান্সার আখ্যা দিয়েছেন আদালত। ভেঙে ফেলতেও সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন কয়েকবার। তবে, পোশাক শিল্পের স্বার্থ বিবেচনায় প্রতিবারই বাড়ানো হয়েছে আগেরবারের সময়সীমা। সবশেষ মুচলেকা দিয়ে ১ বছরের সময় নেয় বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ, যা শেষ হবে আগামী ১২ এপ্রিল।আদালতের রায় মাথায় রেখে রাজধানীর উত্তরায় চলছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন- বিজিএমইএ'র নতুন ভবনের নির্মাণ কাজ। দুই তলা বেসমেন্টের ওপর ১৩ তলা এই ভবনের ১ম ও ২য় পর্যায়ের কাজ শেষ হয়েছে, চলছে ৩য় পর্যায়ের কাজ।
প্রকৌশলী জানান, দুই অংশের কাজ শেষ হয়ে গেছে। তৃতীয় ধাপের কাজও ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ শেষ হয়েছে।পুরানো ভবন ছাড়তে আন্তরিকতার কোন ঘাটতি নেই। তবে নতুন ভবনে বিজিএমইএ'র দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে বলে জানালেন বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। তিনি বলেন, এই বিল্ডিং যে আমরা ছেড়ে দেবো, এখানে কোনো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব নেই। তবে ১২ এপ্রিলের মধ্যে যাওয়া আমার মনে কোন মতে সম্ভব নয়।এই ভবন সরাতে বারবার সময়সীমা বাড়ালে আদালতের প্রতি সাধারণ মানুষের ভিন্ন ধারণা তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন মামলার অ্যামিউকাস কিউরি মোনজিল মোরশেদ।
তিনি বলেন, আদালত নিজেই বলেছেন আর কোন সময় দেওয়া হবে না। যদি তারা না যায়, সেক্ষেত্রে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে আদালত অবমাননার মামলা করতে পারেন।আগামী ১২ই এপ্রিলের মধ্যে কোন অফিসিয়াল কার্যক্রম যে নতুন ভবনে স্থানান্তর সম্ভব না তার বাস্তবচিত্র বোঝা যায় সেখানকার বিশাল কর্মযজ্ঞে। তবে আগামীতে নতুন করে সময়সীমা বাড়ানো হবে, নাকি আগের সময়সীমাই বহাল থাকবে তা নির্ধারণ করবেন দেশের উচ্চ আদালত।
Bangladeshi Taka Converter
No comments
If you have any doubt, please let me know that with your valuable comments.