দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে বন্ধ রাকসু নির্বাচন
দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে বন্ধ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) নির্বাচনও। তবে ডাকসু নির্বাচনের খবরে উজ্জীবিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠন ও শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, এ কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব তৈরি হচ্ছে না, অন্যদিকে আদায় হচ্ছে না তাদের ন্যায্য দাবি। তবে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, নির্বাচনের ব্যাপারে তারা সবসময় আন্তরিক।১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত উত্তরাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রিশ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী পড়াশুনা করছেন। শিক্ষার্থীদের যোগ্য নাগরিকের পাশাপাশি নেতৃত্বদানের ক্ষমতা অর্জনে উৎসাহিত করতে ১৯৬২ সালে রাকসু গঠন করা হয়। এরপর ১৯৬৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ১৪ বার নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর বন্ধ হয়ে যায় রাকসু'র কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও ছাত্র সংগঠনগুলোর রেষারেষির কারণেই ২৯ বছর ধরে বন্ধ নির্বাচন। এতে রাকসুর ফান্ডে জমা কোটি কোটি টাকার হিসেব যেমন শিক্ষার্থীদের অজানা, তেমনি আদায় হচ্ছে না তাদের ন্যায্য দাবিও।
কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, রাকসু নির্বাচন হলে ছাত্ররা তাদের স্বাধীন মত প্রকাশের জায়গা পেত। যদি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে আমাদের অধিকার সুষ্ঠুভাবে তুলে ধরতে পারবো।এ অবস্থায় ডাকসু নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলো সোচ্চার রাকসু'র নির্বাচনের দাবিতে।রাবি ছাত্রলীগ শাখার সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, রাকসুর মাধ্যমে ত্যাগী যোগ্য নেতৃত্ব বের হয়ে আসুক। এবং সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের যে প্লাটফর্ম সেটাও আমরা তৈরি করতে চাই।তবে দ্রুতই সব ছাত্র সংগঠনের সাথে আলোচনা করে রাকসু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. লুৎফর রহমান। তিনি বলেন, রাকুস নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যাতে একটি সুন্দর, অবাধ এবং সর্বজনগৃহীত একটি নির্বাচন উপহার পারে।
শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে ১৯৯৯ সালের রাকসু নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের নানা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে আইনি জটিলতায় তা বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে রাকসুর ফান্ডে জমা আছে প্রায় ৮ কোটি টাকা।
Bangladeshi Taka Converter
No comments
If you have any doubt, please let me know that with your valuable comments.