সুপার-ঘূর্ণিঝড়-আম্পান!

  • ব্রেকিং নিউস

    হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে টপকাল চীন


    হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের দৌড়ে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে দিয়েছে চীন। খোদ মার্কিন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা এমন কথা জানিয়েছেন।চীনের এসব ক্ষেপণাস্ত্রের গতি, উচ্চতা এবং ক্ষিপ্র বেগে ছুটে চলার সময়ে গতিপথ পরিবর্তনের সক্ষমতা থাকায় এর অবস্থান নির্ণয় করা ও প্রতিরোধ করা কষ্টসাধ্য।ঘণ্টায় শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণেরও বেশি গতিতে অর্থাৎ প্রায় ৬ হাজার ২০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র।কোনো কোনোটি ঘণ্টায় ২৫ হাজার কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারবে বলেই ধারণা করছেন মার্কিন এবং পশ্চিমা অস্ত্রগবেষকরা। অর্থাৎ এর গতি হবে আধুনিক যাত্রীবাহী জেট বিমানের চেয়ে ২৫ গুণ বেশি।

    শুক্রবার পাকিস্তানি পত্রিকা ডন জানায়, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যেসব ক্ষেত্রে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে দিতে শুরু করেছে তার একটি হল হাইপারসনিক অস্ত্র।প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন কমান্ডের সাবেক প্রধান অ্যাডমিরাল হ্যারি হ্যারিস গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এ কথা স্বীকার করে নিয়েছিলেন।তিনি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সশস্ত্র কমিটিতে দেয়া বক্তব্যে এ কথা স্বীকার করেন। হ্যারিস আরও বলেন, এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন আধিপত্য বিস্তারকেও পেছনে ফেলে দিচ্ছে চীন।মার্কিন প্রতিরক্ষা গবেষণা এবং প্রকৌশল বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি মাইকেল গ্রিফিন বলেন, চীন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে অথবা এ প্রক্রিয়ার খুব কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছে।গত এপ্রিলে প্রতিনিধি পরিষদের সশস্ত্র কমিটিতে দেয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। এ জাতীয় ক্ষেপণাস্ত্রে প্রচলিত বোমা বা ওয়ারহেড রয়েছে বলেও জানান গ্রিফিন।

    চীনের উপকূল থেকে এসব ক্ষেপণাস্ত্র হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সক্ষম। গ্রিফিন আরও বলেন, এতে মার্কিন অগ্রবর্তী ঘাঁটি এবং বিমানবাহী রণতরীগুলো হুমকিতে পড়েছে।গ্রিফিন হতাশার সঙ্গে বলেন, এসব ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর কোনো ক্ষমতা নেই যুক্তরাষ্ট্রের। যুক্তরাষ্ট্রের এক গোয়েন্দা প্রতিবেদন জানায়, দূরপাল্লা ও মধ্যমপাল্লার বোমা নিক্ষেপে সক্ষম এমন যুদ্ধবিমান তৈরি করছে চীন।আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে এ প্রকল্প শেষ হবে বলেও জানানো হয়েছে পেন্টাগনের ওই প্রতিবেদনে।অন্যদিকে রাশিয়া এরই মধ্যে হাইপারসনিক অস্ত্র মোতায়েন করেছে। গত বছর মে মাসে এক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে এটি প্রদর্শন করে রাশিয়া।

    No comments

    If you have any doubt, please let me know that with your valuable comments.

    পৃষ্ঠা

    সর্বশেষ খবর

    COVID-19 থেকে বাঁচার উপায় !