দারকিনা, Flying barb

দূষণ, প্রজনন ঋতুতে অবাধে শিকার, কীটনাশকের ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে বাংলার ঐতিহ্যবাহী এক-দেড় ইঞ্চি আকারের মাছ দারকিনার অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়ছে। মিঠা পানিতে বসবাসকারী হিসেবে পরিচিত, দৃষ্টিনন্দন ও সুস্বাদু এই মাছের সংরক্ষণ নিয়ে সচেতনতা বাড়ান জরুরি বলে মনে করছেন ভোজনরসিকরা।
তারা বলছেন, জনপ্রিয় ও পরিচিত দারকিনা মাছের অস্তিত্ব রক্ষায় সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগী হলে থালার পাতে দারকিনা মাছের মেনু দেখার সুযোগও পাবে প্রজন্মরা। সর্বত্র পরিবারিক খাবার এমনকি আত্মীয়-স্বজন বাড়িতে এলে তাদের খাবারের মেনুতে থাকত দারকিনা মাছ। সকল বাজারেই এর চাহিদা এখনও ব্যাপক। কেজিপ্রতি ৪/৫শ’ টাকা দামে বিক্রি হয়। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম বলে অন্য বিলুপ্তপ্রায় দারকিনা মাছের দামও বেশি। অনেকক্ষেত্রেই তা সাধারণ ভোজনরসিক বা মৎস্যপ্রেমীদের নাগালের বাইরে থাকছে।
একসময় নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবায় সবচেয়ে বেশি যে মাছটি চোখে পড়ত তার নাম দারকিনা। যদিও অঞ্চলভিত্তিক এই মাছটিকে দারকিনি, দারখিলা, ডানকানা, ডানখিনা, চুক্কুনি, মলঙ্কা নামেও সম্বোধন করা হয়।সোনারাঙা মাছটির গোটা গায়ের মাঝে কাল দাগ দেখা যায়। ৮০ এর দশকে ক্ষত রোগে এ মাছটি বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হয়। মানুষের মত গবাদি ও বন্য বহু পাখিরও প্রিয় খাবার দারকিনা মাছ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে আইইউসিএন সমীক্ষা করে জানিয়েছে- পরিবেশের পরিবর্তন, আবাসস্থলের সংকোচন ও মানবসৃষ্ট নানাবিধ কারণে বাংলাদেশের ৫৪ প্রজাতির মাছ বিপন্ন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে দারকিনাও একটি।
দারকিনা মাছ সম্পর্কিত কিছু তথ্যঃ
ভৌগলিক বিস্তৃতি (Geographical Distribution)
বাংলাদেশ, পাকিস্তান (পাঞ্জাব ও সিন্ধু প্রদেশ ),ভারত, নেপাল এবং সম্ভবত শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারে (Talwar and Jhingran, 1991)। বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার স্থানীয় মাছ (Devi and Boguskaya, 2009)। উল্লেখিত দেশগুলো ছাড়াও আফগানিস্তানে এই মাছ প্রাপ্তির তথ্য রয়েছে (Fishbase, 2015)।
সারা বাংলাদেশেই এই মাছ পাওয়া যায় তবে যশোরের বুকভরা বাঁওড় (Mohsin et al., 2009), চলন বিল (Galib et al., 2009 and 2010) ও রাজশাহীর পদ্মা নদী (Samad et al., 2010) থেকে এই মাছ প্রাপ্তির নথিভুক্ত তথ্য রয়েছে।
বাংলাদেশ, পাকিস্তান (পাঞ্জাব ও সিন্ধু প্রদেশ ),ভারত, নেপাল এবং সম্ভবত শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারে (Talwar and Jhingran, 1991)। বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার স্থানীয় মাছ (Devi and Boguskaya, 2009)। উল্লেখিত দেশগুলো ছাড়াও আফগানিস্তানে এই মাছ প্রাপ্তির তথ্য রয়েছে (Fishbase, 2015)।
সারা বাংলাদেশেই এই মাছ পাওয়া যায় তবে যশোরের বুকভরা বাঁওড় (Mohsin et al., 2009), চলন বিল (Galib et al., 2009 and 2010) ও রাজশাহীর পদ্মা নদী (Samad et al., 2010) থেকে এই মাছ প্রাপ্তির নথিভুক্ত তথ্য রয়েছে।
সংরক্ষণ অবস্থা (Conservation status)
IUCN Bangladesh (2000) অনুসারে বাংলাদেশে এই মাছের সংরক্ষণ বিষয়ক তথ্য অপর্যাপ্ত (Data deficient) ।
এই মাছের বৈশ্বিক সংরক্ষণ অবস্থা মানদণ্ড 3.1 অনুসারে Least Concern (LC) অর্থাৎ প্রকৃতিতে বিস্তৃত পরিসরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায় এবং জনতার ধারা (Population Trend) স্থিতিশীল (Stable) (Devi and Boguskaya, 2009) ।
IUCN Bangladesh (2000) অনুসারে বাংলাদেশে এই মাছের সংরক্ষণ বিষয়ক তথ্য অপর্যাপ্ত (Data deficient) ।
এই মাছের বৈশ্বিক সংরক্ষণ অবস্থা মানদণ্ড 3.1 অনুসারে Least Concern (LC) অর্থাৎ প্রকৃতিতে বিস্তৃত পরিসরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায় এবং জনতার ধারা (Population Trend) স্থিতিশীল (Stable) (Devi and Boguskaya, 2009) ।
দারকিনা, Flying barb, Esomus danricus
বাহ্যিক দৈহিক গঠন (External Morphology)
লম্বা দেহ পার্শ্বীয়ভাবে চাপা। মুখের হা ছোট এবং তির্যকভাবে উর্ধ্বাভিমুখী। নিচের চোয়াল উপরের চোয়ালের চেয়ে লম্বা ও মাংসল। কোন কোন সদস্যের গ্রীবার সন্ধির উপরের অংশ সুস্পষ্টভাবে অবতল (Rahman and Chowdhury, 2009)। স্পর্শী দুই জোড়া যার মধ্যে এক জোড়া উপরের চোয়ালে অবস্থিত। উপরের চোয়ালে অবস্থিতি স্পর্শী দৈর্ঘ্যে এত বড় যে দেহের মাঝ বরাবর পর্যন্ত বিস্তৃত।
বক্ষপাখনা লম্বা ও শ্রোণীপাখনার উপর পর্যন্ত বিস্তৃত যা ক্রমশ সরু হয়ে শেষ প্রান্ত তীক্ষ্ন রূপ ধারণ করে। পায়ুপাখনা পৃষ্ঠপাখনার পশ্চাৎ বরাবর অংঙ্কীয় প্রান্তে উৎপত্তি লাভ করে। শ্রোণীপাখনা পুচ্ছপাখনার গোড়া ও তুণ্ডের শীর্ষের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এবং এ পাখনার বাইরের দিকের পাখনারশ্মি লম্বা।
পার্শ্বরেখা অসম্পূর্ণ (৪-৫টি আঁইশ পর্যন্ত বিস্তৃত) বা অনুপস্থিত (Rahman and Chowdhury, 2009)। অনুদৈর্ঘ্য বরাবর Rahman (1989 and 2005) অনুসারে ২৯-৩২টি, Talwar and Jhingran (1991) অনুসারে ২৭-৩০টি আঁইশ উপস্থিত। আদর্শ দৈর্ঘ্য শরীরের গভীরতার ৩.৩-৪.৮ গুণ এবং মাথার ৩.৫-৫.০ গুণ (Talwar and Jhingran, 1991) ।
দেহের বর্ণ জলপাই-সবুজ থেকে ধূসর-সবুজ হয় । একটি প্রশস্ত কালো ডোরা দেহের উভয় পাশে চোখ পরবর্তী স্থান থেকে পুচ্ছপাখনার গোড়া পর্যন্ত বিস্তৃত । তরুণ বয়সের সদস্যদের এই ডোরাটির উপর ও নিচ পাশে সোনালী বর্ণের সরু ডোরা দেখতে পাওয়া যায় (Talwar and Jhingran, 1991)। এদের শ্রোণী পাখনা লাল বর্ণের এবং অন্যান্য পাখনাগুলো বাদামী থেকে কমলা বর্ণের হয়ে থাকে।
ভারতীয় বিজ্ঞানীদের গবেষণায় এই প্রজাতির ডিপ্লয়েড ক্রোমোজোম সংখ্যা ৫০ পাওয়া গেছে (Rahman and Chowdhury, 2009)।
লম্বা দেহ পার্শ্বীয়ভাবে চাপা। মুখের হা ছোট এবং তির্যকভাবে উর্ধ্বাভিমুখী। নিচের চোয়াল উপরের চোয়ালের চেয়ে লম্বা ও মাংসল। কোন কোন সদস্যের গ্রীবার সন্ধির উপরের অংশ সুস্পষ্টভাবে অবতল (Rahman and Chowdhury, 2009)। স্পর্শী দুই জোড়া যার মধ্যে এক জোড়া উপরের চোয়ালে অবস্থিত। উপরের চোয়ালে অবস্থিতি স্পর্শী দৈর্ঘ্যে এত বড় যে দেহের মাঝ বরাবর পর্যন্ত বিস্তৃত।
বক্ষপাখনা লম্বা ও শ্রোণীপাখনার উপর পর্যন্ত বিস্তৃত যা ক্রমশ সরু হয়ে শেষ প্রান্ত তীক্ষ্ন রূপ ধারণ করে। পায়ুপাখনা পৃষ্ঠপাখনার পশ্চাৎ বরাবর অংঙ্কীয় প্রান্তে উৎপত্তি লাভ করে। শ্রোণীপাখনা পুচ্ছপাখনার গোড়া ও তুণ্ডের শীর্ষের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এবং এ পাখনার বাইরের দিকের পাখনারশ্মি লম্বা।
পার্শ্বরেখা অসম্পূর্ণ (৪-৫টি আঁইশ পর্যন্ত বিস্তৃত) বা অনুপস্থিত (Rahman and Chowdhury, 2009)। অনুদৈর্ঘ্য বরাবর Rahman (1989 and 2005) অনুসারে ২৯-৩২টি, Talwar and Jhingran (1991) অনুসারে ২৭-৩০টি আঁইশ উপস্থিত। আদর্শ দৈর্ঘ্য শরীরের গভীরতার ৩.৩-৪.৮ গুণ এবং মাথার ৩.৫-৫.০ গুণ (Talwar and Jhingran, 1991) ।
দেহের বর্ণ জলপাই-সবুজ থেকে ধূসর-সবুজ হয় । একটি প্রশস্ত কালো ডোরা দেহের উভয় পাশে চোখ পরবর্তী স্থান থেকে পুচ্ছপাখনার গোড়া পর্যন্ত বিস্তৃত । তরুণ বয়সের সদস্যদের এই ডোরাটির উপর ও নিচ পাশে সোনালী বর্ণের সরু ডোরা দেখতে পাওয়া যায় (Talwar and Jhingran, 1991)। এদের শ্রোণী পাখনা লাল বর্ণের এবং অন্যান্য পাখনাগুলো বাদামী থেকে কমলা বর্ণের হয়ে থাকে।
ভারতীয় বিজ্ঞানীদের গবেষণায় এই প্রজাতির ডিপ্লয়েড ক্রোমোজোম সংখ্যা ৫০ পাওয়া গেছে (Rahman and Chowdhury, 2009)।
পাখনা সূত্র (Fin formula)
D. 8 (2/6); P1. 11-13 (1/10-12); P2. 7 (1/6); A. 7-8 (2-3/5) (Rahman, 1989 and 2005)
D ii 6; A iii 5; P i 14-15; V i 6-7 (Talwar and Jhingran, 1991)
D. 8 (2/6); P1. 11-13 (1/10-12); P2. 7 (1/6); A. 7-8 (2-3/5) (Rahman, 1989 and 2005)
D ii 6; A iii 5; P i 14-15; V i 6-7 (Talwar and Jhingran, 1991)
দারকিনা, Flying barb, Esomus danricus
সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য (Maximum length)
Rahman, (1989 and 2005) অনুসারে ৬ সেমি এবং Talwar and Jhingran,( 1991) অনুসারে ১২.৫ সেমি হয়ে থাকে । মোট দৈর্ঘ্যে ১৩ সেমি (EOL, 2015)। বাংলাদেশে এই প্রজাতির মাছের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ৬ সেমি পাওয়া গেলেও এদের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ১০ সেমির উপরে হয় বলে জানা যায় (Rahman and Chowdhury, 2009)।
Rahman, (1989 and 2005) অনুসারে ৬ সেমি এবং Talwar and Jhingran,( 1991) অনুসারে ১২.৫ সেমি হয়ে থাকে । মোট দৈর্ঘ্যে ১৩ সেমি (EOL, 2015)। বাংলাদেশে এই প্রজাতির মাছের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ৬ সেমি পাওয়া গেলেও এদের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ১০ সেমির উপরে হয় বলে জানা যায় (Rahman and Chowdhury, 2009)।
আবাস্থল (Habitat)
পুকুর ও আগাছাময় নর্দমায় এরা বাস করে (Talwar and Jhingran, 1991) । প্রবহমান স্রোতে , পুকুর, নর্দমা, বিল এবং প্লাবিত ক্ষেত্রে এদের খুঁজে পাওয়া যায় ;বর্ষার সময় এদের প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় । (Rahman, 1989 and 2005) ।
জলাশয়ের তলদেশের নিকটবর্তী স্তরে বাস করে। সাধারণত পুকুর, দিঘী, ডোবা ও খালে পাওয়া যায়। এছাড়া ঈষৎ লোনা জলের (brackish waters) জলাশয়েও এদের দেখা মেলে (Devi and Boguskaya, 2009) ।
স্বাদু ও ঈষৎ লোনাজলের এই মাছের অনুকূল পিএইচ ৮, তাপমাত্রা ২২°C যাদেরকে পুকুর, ডোবা ও সেচের জন্য নির্মিত খালে দেখতে পাওয়া যায় (Fishbase, 2015)।
এই মাছ বিভিন্ন ধরণের জলাশয়ে বাস করে তবে অগভীরর, স্থির ও ধীর স্রোত বিশিষ্ট জলাভূমি যেমন বর্ষা বা বন্যায় প্লাবিত ধানক্ষেত ও অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ সমৃদ্ধ অস্থায়ী জলাশয়ে এদের দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়াও কর্দমাক্ত ডোবা, নালা, ছোট ঝর্ণাধারা ইত্যাদিতে দেখতে পাওয়া গেলেও বড় বড় নদীতে এদের দেখা মেলে না (Seriouslyfish, 2015)।
পুকুর ও আগাছাময় নর্দমায় এরা বাস করে (Talwar and Jhingran, 1991) । প্রবহমান স্রোতে , পুকুর, নর্দমা, বিল এবং প্লাবিত ক্ষেত্রে এদের খুঁজে পাওয়া যায় ;বর্ষার সময় এদের প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় । (Rahman, 1989 and 2005) ।
জলাশয়ের তলদেশের নিকটবর্তী স্তরে বাস করে। সাধারণত পুকুর, দিঘী, ডোবা ও খালে পাওয়া যায়। এছাড়া ঈষৎ লোনা জলের (brackish waters) জলাশয়েও এদের দেখা মেলে (Devi and Boguskaya, 2009) ।
স্বাদু ও ঈষৎ লোনাজলের এই মাছের অনুকূল পিএইচ ৮, তাপমাত্রা ২২°C যাদেরকে পুকুর, ডোবা ও সেচের জন্য নির্মিত খালে দেখতে পাওয়া যায় (Fishbase, 2015)।
এই মাছ বিভিন্ন ধরণের জলাশয়ে বাস করে তবে অগভীরর, স্থির ও ধীর স্রোত বিশিষ্ট জলাভূমি যেমন বর্ষা বা বন্যায় প্লাবিত ধানক্ষেত ও অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ সমৃদ্ধ অস্থায়ী জলাশয়ে এদের দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়াও কর্দমাক্ত ডোবা, নালা, ছোট ঝর্ণাধারা ইত্যাদিতে দেখতে পাওয়া গেলেও বড় বড় নদীতে এদের দেখা মেলে না (Seriouslyfish, 2015)।
খাদ্য এবং খাদ্যাভ্যাস (Food and feeding habit)
এরা জলাশয়ের তলদেশের নিকটবর্তী স্থানে বসবাসকারী মাছ হলেও জলাশয়ের উপরের স্তরে বসবাসকারী পতঙ্গ (insects) খেতে পছন্দ করে (Devi and Boguskaya, 2009)। এই মাছ জলাশয়ের তলদেশের কাছাকাছি থাকতে যেমন পছন্দ করে তেমনই উপরিতলেও বাস করে। এরা জলাশয়ের উপরের স্তরে সাঁতার কাটে ও পতঙ্গ শিকার করে খেয়ে থাকে (EOL, 2015)।
এরা জলাশয়ের তলদেশের নিকটবর্তী স্থানে বসবাসকারী মাছ হলেও জলাশয়ের উপরের স্তরে বসবাসকারী পতঙ্গ (insects) খেতে পছন্দ করে (Devi and Boguskaya, 2009)। এই মাছ জলাশয়ের তলদেশের কাছাকাছি থাকতে যেমন পছন্দ করে তেমনই উপরিতলেও বাস করে। এরা জলাশয়ের উপরের স্তরে সাঁতার কাটে ও পতঙ্গ শিকার করে খেয়ে থাকে (EOL, 2015)।
বাস্তুতাত্ত্বিক ভূমিকা (Ecological Role)
অন্যান্য শিকারি মাছ যেমন বোয়াল, সর্প-মাথা ইত্যাদি মাছ শিকারের জন্য এই প্রজাতির মাছের উপর নির্ভরশীল। এছাড়াও এরা জলজ পরিবেশের ব্লুম ও পতঙ্গের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে জলাশয়ের গলিত ও পচা দ্রব্যাদি খেয়ে পানি বিশোধনে ভূমিকা রাখে (Rahman and Chowdhury, 2009)।
অন্যান্য শিকারি মাছ যেমন বোয়াল, সর্প-মাথা ইত্যাদি মাছ শিকারের জন্য এই প্রজাতির মাছের উপর নির্ভরশীল। এছাড়াও এরা জলজ পরিবেশের ব্লুম ও পতঙ্গের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে জলাশয়ের গলিত ও পচা দ্রব্যাদি খেয়ে পানি বিশোধনে ভূমিকা রাখে (Rahman and Chowdhury, 2009)।
প্রজনন (Breeding)
এদের প্রজনন সম্পর্কে খুব বেশি জানা যায় না। এ্যাকুয়ারিয়ামে এদের প্রজনন সম্পর্কিত কোন তথ্য নেই। স্ত্রী ও পুরুষের মধ্য বাহ্যিক পার্থক্য নেই বললেই চলে তবে একই বয়সের স্ত্রীরা পুরুষের চেয়ে সামান্য বড় হয়ে থাকে (Seriouslyfish, 2015)।
এদের প্রজনন সম্পর্কে খুব বেশি জানা যায় না। এ্যাকুয়ারিয়ামে এদের প্রজনন সম্পর্কিত কোন তথ্য নেই। স্ত্রী ও পুরুষের মধ্য বাহ্যিক পার্থক্য নেই বললেই চলে তবে একই বয়সের স্ত্রীরা পুরুষের চেয়ে সামান্য বড় হয়ে থাকে (Seriouslyfish, 2015)।
দারকিনা, Flying barb, Esomus danricus
এ্যাকুয়ারিয়াম ব্যবস্থাপনা (Aquarium Management)
এই মাছের জন্য আদর্শ এ্যাকুয়ারিয়ামের আকার কমপক্ষে ১২০x30 সেমি। তাপমাত্রা ২০-২৬°C, পিএইচ ৬-৮ এবং হার্ডনেস ১৮-২১৫ পিপিএম (Seriouslyfish, 2015)।
প্রকৃতিতে এরা স্থলজ ও জলজ অমেরুদণ্ডী বিশেষত পতঙ্গ ও এর শূককীট খেয়ে থাকে। তবে এ্যাকুয়ারিয়ামে সকল প্রকাশের প্যাকেট খবারই খায়। এছাড়াও জীবন্ত ডাফনিয়া (Daphnia), আর্টেমিয়া (Artemia), ব্লাডওয়ার্ম (bloodworm) ইত্যাদি খেয়ে থাকে (Seriouslyfish, 2015)।
এই মাছের জন্য আদর্শ এ্যাকুয়ারিয়ামের আকার কমপক্ষে ১২০x30 সেমি। তাপমাত্রা ২০-২৬°C, পিএইচ ৬-৮ এবং হার্ডনেস ১৮-২১৫ পিপিএম (Seriouslyfish, 2015)।
প্রকৃতিতে এরা স্থলজ ও জলজ অমেরুদণ্ডী বিশেষত পতঙ্গ ও এর শূককীট খেয়ে থাকে। তবে এ্যাকুয়ারিয়ামে সকল প্রকাশের প্যাকেট খবারই খায়। এছাড়াও জীবন্ত ডাফনিয়া (Daphnia), আর্টেমিয়া (Artemia), ব্লাডওয়ার্ম (bloodworm) ইত্যাদি খেয়ে থাকে (Seriouslyfish, 2015)।
অর্থনৈতিক গুরুত্ব (Economic importance)
একক প্রজাতি হিসেবে এই মাছের উৎপাদন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে এই মাছ বাংলাদেশের ছোট দেশীয় প্রজাতির মাছের মধ্যে একটি জনপ্রিয় খাবারের মাছ। সাধারণত নিম্ন শ্রেণির ক্রেতারা এদের খেয়ে থাকে (Samad et al., 2010)।
বাংলাদেশে খাবারের মাছ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই প্রজাতির মাছ বাহারি মাছ হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাই দেশে বাহারি মাছ হিসেবে এর গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি ও বিদেশে বাহারি মাছ হিসেবে রপ্তানির উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
একক প্রজাতি হিসেবে এই মাছের উৎপাদন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে এই মাছ বাংলাদেশের ছোট দেশীয় প্রজাতির মাছের মধ্যে একটি জনপ্রিয় খাবারের মাছ। সাধারণত নিম্ন শ্রেণির ক্রেতারা এদের খেয়ে থাকে (Samad et al., 2010)।
বাংলাদেশে খাবারের মাছ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই প্রজাতির মাছ বাহারি মাছ হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাই দেশে বাহারি মাছ হিসেবে এর গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি ও বিদেশে বাহারি মাছ হিসেবে রপ্তানির উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
Bangladeshi Taka Converter
No comments
If you have any doubt, please let me know that with your valuable comments.